রূপগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পাকা দেয়াল নির্মানের অভিযোগ

0
202

ডেস্ক রিপোর্ট : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের ১নং দাউদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ছালেমা ছায়েফ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংযুক্ত খেলার মাঠকে আলাদা করতে মাঝমাঠে প্রতিহিংসাবশত পাকা দেয়াল নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয় বিষয়টি নিয়ে আদালতে বিচারাধীন থাকায় স্থিতাবস্থার আদেশ জারী রয়েছে। কিন্তু প্রতিপক্ষরা আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য স্থানীয় প্রভাবশালীদের সহযোগিতায় গত ১৮ ডিসেম্বর শনিবার সকাল থেকে দিন দুপুরে দেয়ার নির্মান কাজ শুরু করেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ১৯৩২ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ শাসনামলে দাউদপুর মৌজার সিএস ও এসএ দাগ নং ১৭৩,১৭৪,১৭৬ তে মোট ৯৬ শতক ডিআর মধ্য বাংলা(এম ই) স্কুলের নামে দান করেন। সে সময়ের জমি দাতা ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা আজগর আলী গং। সময়ের ব্যবধানে স্বাধীনতা পরবর্তী ওই বিদ্যালয়টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে রূপান্তর হয়। তবে আরএস রেকর্ডে ওই স্কুলের জমি ৯৬ শতকের পরিবর্তে ১৩১ শতক করে নেয়। পরে স্থানীয় জমিদাতাদের মধ্য থেকে অতিরিক্ত জমি স্কুলের নয় মর্মে বিরোধ তৈরী হয়। আর ওই বিরোধের জেরে বিষয়টি মিমাংসার জন্য ছালেমা ছায়েফ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ আদালতে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং ৮৬/২০ এবং দেওয়ানী মামলা নং ৬৫৮/২০। ওই মামলায় সম্প্রতি উভয় পক্ষকে স্থিতাবস্থায় থাকার আদেশ দান করেন আদালত। ওই আদেশ বলে দুটি বিদ্যালয়ের মাঝমাঠে কোন দেয়াল করতে না পারলেও সরকারী স্কুলের বর্তমান ম্যানেজিং কমিটির লোকজন জোরপূর্বক দেয়াল নির্মান শুরু করে। পরে এ বিষয়টি রূপগঞ্জ থানা ও উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হলে কোন সুরাহা পাননি ।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে দাউদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিশির বাবু বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা আছে জেনে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে নিষেধ করেছি। কিন্তু তারা এলজিইডির আদেশ না পেলে কাজ বন্ধ করবে না বলে জানিয়ে দেয়। এতে আমার কিছু করার নেই।

এ বিষয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ নুসরাত জাহান বলেন, বিষয়টি জানলাম, আদালতের আদেশ পালন করতে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here