দেশের অসংখ্য শিল্প কারখানায় হাসেম ফুডের মতো অবস্থা বিরাজ করছে–নজরুল ইসলাম খান

0
286

ডেস্ক রিপোর্ট : রূগপঞ্জের কর্ণগোপ এলাকার হাসেম ফুডে অগ্নিকান্ডে ৫২ শ্রমিক নিহতের ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শণে এসে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম বলেছেন, দেশের অসংখ্য শিল্প-কারখানায় হাসেম ফুডের মতো অবস্থা বিরাজ করছে। দেশে অস্বাস্থকর ও অনিরাপদ কর্ম পরিবেশে লক্ষ লক্ষ শ্রমিক কাজ করছে। অসংখ্য শিল্প কারখানায় এমন ঘটনা ঘটছে। সরকারি প্রতিষ্ঠান গুলো যথাযথ ব্যবস্থা নিলে এ দূর্ঘটনা ঘটতো না আর এতো শিশু শ্রমিক এখানে কাজ করতে পারতো না।

মঙ্গলবার দুপুরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল হাসেম ফুডে অগ্নিকান্ডে ৫২ শ্রমিক নিহতের ঘটনায় কারখানা পরিদর্শণ শেষে নজরুল ইসলাম এ কথা বলেন।

এসময় তিনি আরো বলেন, অগ্নিকান্ডের ঘটনায় আমরা এ প্রতিষ্ঠানের মালিকের অবহেলার তীব্র নিন্দা জানাই আর সেই সাথে তার চেয়ে বেশি নিন্দা জানাই সরকারি প্রতিষ্ঠান গুলোর। এসব প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে সরকারি প্রতিষ্ঠান গুলো থেকে রিপোর্ট নিতে হয় ও ট্যাক্স দিতে হয়। সরকারি প্রতিষ্ঠান গুলো ঠিক মতো দায়িত্ব পালন করে নি তাই এতোগুলো মানুষ অকালে জীবন দিয়েছে। এখানে যারা কাজ করেছে তাদের কোন নিয়োগপত্রও ছিল না। আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ্যদের জন্য পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণের জন্য আমরা দাবি জানাই। রানা প্লাজায় যারা মারা গেছে তাদেরকে আইএলও কনভেনশন-১২১ অনুযায়ী ও আন্তর্জাতিক মানদন্ড ক্ষতিপূরণ দেওয়া অনুযায়ী হয়েছে। রানা প্লাজার শ্রমিকদের যে হারে শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়েছে হাসেম ফুডের শ্রমিকদের সে হারে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হউক। এ উদ্যোগ নেওয়ার দায়িত্ব সরকারের। নাগরিকের ও জীবন ও মাল রক্ষার দায়িত্ব সরকারের। আমরা জানি সরকার জনগনের ভোটে নির্বাচিত হয় না জনগনের প্রতি তার দায়বদ্ধতা ও জবাবদীহিতা থাকে না। কিন্তু যেহেতু তারা ক্ষমতায় এসেছে তাদের দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহীতা স্বীকার করতে হবে। অকালে মৃত ও আহত মানুষের পাশে দাড়াতে হবে।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির যুগ্ন মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার-সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, জেলা বিএনপির আহবায়ক অ্যাড. তৈমূর আলম খন্দকার, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভুইয়া দিপু, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মাহফুজুর রহমান হুমায়ন, তারাব পৌর বিএনপির আহবায়ক নাসির উদ্দিনসহ বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here