হয়রানীমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

0
400

ডেস্ক সংবাদ :নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গৃহবধূকে ধর্ষণের হয়রানী মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও প্রকৃত ঘটনা উন্মোচনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

 

সোমবার দুপুরে উপজেলার মুড়াপাড়া মঠেরঘাট এলাকায় রূপগঞ্জ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করেন তারা।

এ সময় বক্তব্য রাখেন, গ্রেফতারকৃতদের বাবা আব্দুল হক, মা মাজেদা বেগম, ভাসুর মামুন মিয়ার স্ত্রী বিপাসা বেগম।

ভুক্তভোগীদের পরিবারের লোকজন দাবি করেন, গত ২ বছর আগে রূপগঞ্জ ইউনিয়নের গোয়ালপাড়া এলাকার আবুল হোসেন আমিরের সঙ্গে মুড়পাড়া ইউনিয়নের মীরকুটিরছেও এলাকার নেহা আক্তারের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর আবুল হোসেন আমির তার স্ত্রী নেহা আক্তারকে রেখে দুবাই চলে যায়। এদিকে স্বামী প্রবাসে থাকার সুযোগে নেহা বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। পরবর্তীতে ভারতীয় এক যুবকের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।

 

গত ৮ জুন গৃহবধূ নেহা আক্তার শশুর বাড়ি থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে ভারতীয় ওই ছেলের কাছে যাওয়ার জন্য পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে এ ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় অভিযোগের ভিত্তিতে ভাসুর মামুন ও দেবর রাকিবুল ইসলামসহ পরিবারের সদস্যরা রূপগঞ্জ থানার এসআই মিরাজ’র সহযোগীতায় নেহাকে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। এ ঘটনায় নেহার পরিবারের লোকজন পারিবারিকভাবে বিষয়টি মিমাংসা করার আশ^াস দিয়ে মামুন ও রাকিবুল ইসলামসহ তাদের পরিবারের সকল সদস্যদেরকে মীরকুটিরছেঁও এলাকায় নেহা আক্তারের বাড়িতে ডাকেন। এ সময় তাদের মাঝে খাবার পরিশেন করে পুলিশে খবর দেয় নেহার পরিবারের লোকজন।

গত শুক্রবার বিকালে ভাসুর মামুন মিয়া ও দেবর রাকিবুল ইসলাম নেহার বাবার বাড়িতে গেলে পুলিশ তাদের ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করে রূপগঞ্জ থানায় নিয়ে যায়। এদিকে গ্রেফতারকৃতদের পরিবারের সদস্যরা ভাসুর মামুন মিয়া ও দেবর রাকিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ তদন্তের ভিত্তিতে প্রকৃত ঘটনা উন্মোচনের দাবি জানান।

এর আগে, গত শুক্রবার (১২ জুন) রাতে ধর্ষণের অভিযোগ এনে ওই গৃহবধূ তার ভাসুর ও দেবরকে আসামী করে রূপগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। পরে ওই রাতেই পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে শনিবার আদালতে পাঠায়।

এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম সায়েদ জানান, গৃহবধূ নেহার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তার ভাসুর মামুন ও দেবর রাকিবুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে যা তন্দতাধীন রয়েছে। পরবর্তীতে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here