শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

২১ আগস্টের ঘটনার জন্য তারেক-খালেদা দায়ী: তথ্যমন্ত্রী
প্রকাশ: রবিবার, ২০ আগস্ট ২০২৩, ০৪:৪৮ অপরাহ্ণ

তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা বিএনপি সরকারের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় হয়েছে। তারেক জিয়ার নেতৃত্বে ও খালেদা জিয়ার নির্দেশনায় এ ঘটনা ঘটানো হয়।

১৫ আগস্টের ঘটনায় দায়ী ছিল খন্দকার মোশতাক ও জিয়া। আর ২১ আগস্টে দায়ী তারেক ও খালেদা।
রোববার (২০ আগস্ট) প্রেসক্লাবে গণতন্ত্র যোদ্ধা ২১ আগস্ট আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ২১ আগস্ট আমরা প্রথমে মুক্তাঙ্গনে শান্তি সমাবেশ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে অনুমতি দেওয়া হয়নি। পরে ২০ আগস্ট রাতে বঙ্গবন্ধু এভিনিউর অফিসের সামনে সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয়। এটি ছিল মূলত বিএনপির পরিকল্পনার। কারণ মুক্তাঙ্গন ছিল খোলামোলা জায়গা। অপরদিকে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ খোলামেলা নয়, গ্রেনেড ছোড়া তাতে সহজ ছিল। তা না হলে কেন মুক্তাঙ্গনে সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হলো না? কেন সে সমাবেশে পুলিশ দেওয়া হলো না। হামলার পর কোনো পুলিশকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়নি। হামলার পর নেতাকর্মীরা যখন এগিয়ে আসে, তখন তাদের ওপর টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়, পানি দিয়ে এভিডেন্স ধুয়ে ফেলা হয়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, হামলার পর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়, মোসাদ নাকি এসে এ কাণ্ড ঘটিয়েছে। এরপর তো জজ মিয়া নাটক করা হলো।

তিনি বলেন, বিএনপি হত্যার রাজনীতিতে চলে ও বিশ্বাস করে। তারা এখন বিদেশিদের কাছে ধরনা দিচ্ছে। এই হাতেপায়ে ধরে আর লাভ নেই, কয়েকটা বিবৃতি দিয়ে কিছু হবে না। তাদের বলতে চাই- হত্যা-ষড়যন্ত্রের রাজনীতি থেকে সরে আসুন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ক্ষমতায় কে থাকবে কে থাকবে না, তার সিদ্ধান্ত নেবে দেশের মানুষ। আঘাত পেলে আওয়ামী লীগ সংগঠিত হয়, ঘুরে দাঁড়ায়। আমরা ভাঙ্গবো, কিন্তু মচকাবো না।

বক্তব্যে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু সুজিত রায় নন্দী বলেন, ২১ আগস্ট শেখ হাসিনার ওপর যে বর্বর হামলা চালানো হয়েছিল, সে হামলা ৭১ এর মহানাদারের বর্বরতার কথা মনে করিয়ে দেয়। ১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্ট একই সূত্র গাঁথা। এ মাস বেদনার মাস, চক্রান্তের মাস। দেশকে অকার্যকর করার লক্ষেই সেদিন শেখ হাসিনার ওপর আক্রমণ করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, দেশ রক্ষায় আমাদের নতুন করে শপথ নিতে হবে, সব ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে। আমরা যদি এক থাকি, তাহলে কেউ কিছু করতে পারবে না। বাংলাদেশ শেখ হাসিনার হাতেই নিরাপদ। তা না হলে একদিন এ দেশ আফগানিস্তান-সিরিয়া হয়ে যাবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ ও মহিলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নাসিমা ফেরদৌসী।

 







সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ