শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সরকার সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে: সিইসি
প্রকাশ: বুধবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৪:০৬ অপরাহ্ণ

সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আশ্বস্তবোধ করছে বলে দাবি করেছেন প্রধান নির্বাচন কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত আশ্বস্ত বোধ করছি। সরকারের তরফ থেকে ইদানিং বারবার সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর আগে কিন্তু সরকার কখনও এ প্রতিশ্রুতি দেয়নি। এই প্রথমবারের মতো সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনে বিশিষ্টজনদের সঙ্গে আলোচনায় সুষ্ঠু নির্বাচনে সংকটের কথা উল্লেখ করে সিইসি বলেন, ‘আমরা একটা কঠিন অবস্থায় আছি। এটা বিলেতের নির্বাচন হচ্ছে না, অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচন করতে যাচ্ছেন না। সংকট আছে, আপনারা বলেছেন, আমরাও অনুধাবন করি। সেই অনেকগুলো সংকট নিরসন করতে হবে রাজনৈতিক নেতৃত্বকে।’ এ কথাটি বারবার বলেছি, আমাদের জন্য অনুকূল পরিবেশ রাজনীতিবিদরা যদি তৈরি করে না দেন, তাহলে আমাদের পক্ষে নির্বাচন করাটা কষ্টসাধ্য হবে। আর যদি পরিবেশ অনুকূল করে দেন আমাদের জন্য কাজটা সহায়ক হবে।’

নির্বাচনটা ভালো হবে কী হবে না সেটা ‘পলিটিক্যাল উইল’ এর ওপর নির্ভর করছে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, ‘আন্তরিক পলিটিক্যাল উইল থাকতে হবে। এটা আমার থেকে আসবে না। পলিটিক্স থেকে আসতে হবে বা সরকার থেকে আসতে হবে।’

সরকার ও দলকে সব সময় তালগোল পাকিয়ে ফেলা হয় বলে মন্তব্য করে সিইসি বলেন, ‘বিভাজনটা বুঝতে হবে। সরকার ও দল ভিন্ন জিনিস। সরকারি দল বলতে কোনও শব্দ সংবিধানে নেই। এটা হয়তো মুখে বলে থাকি। যখনই একটা সরকার হয়ে যাবে, তখন সে সব দলের, সব জনগণের, পুরো দেশকে রিপ্রেজেন্ট করে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত আশ্বস্ত বোধ করছি। সরকারের তরফ থেকে ইদানিং বারবার বলা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীসহ আগামী নির্বাচনটাকে সুষ্ঠু করতে চাই। এ প্রতিশ্রুতি সরকার দিয়েছে। এর আগে কিন্তু সরকার কখনও এ প্রতিশ্রুতি দেয়নি। এই প্রথমবারের মতো সরকার এ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আইনমন্ত্রী, তথ্যমন্ত্রী, যোগাযোগমন্ত্রী— উনারা সরকার শব্দটা ব্যবহার করেছেন। প্রধানমন্ত্রীও স্পষ্টভাবে কয়েকবার বলেছেন, সরকার আগামী নির্বাচনে নিশ্চয়তা দিচ্ছে। আমি বলবো, আস্থা রাখতে চাই।’

সরকারও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে বলে আশ্বস্ত বোধ করছেন বলে উল্লেখ করেন সিইসি।

সমঝোতার প্রসঙ্গ টেনে সিইসি বলেন, ‘আমরা বারবার বলেছি, একটা সমঝোতার কথা, আপনারা চায়ের টেবিলে বসেন। কিন্তু পলিটিক্যাল কালচার এমন হয়েছে যে, কেউ কারও সঙ্গে বসতে চাচ্ছে না। ইসি এ সমস্যার সমাধান করে না। দেশজ পদ্ধতিতে (সমাধান) এটা হতে হবে। কিন্তু দুঃখজনক সে ধরনের সিভিল সোসাইটি দেখতে পাচ্ছি না।’

বুধবার সকালে নির্বাচন ভবনে প্রায় তিন ঘণ্টা সময় ধরে ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: প্রত্যাশা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক আলোচনা ও পর্যালোচনা চলে। এতে সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব, সাবেক নির্বাচন কমিশনার, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ, সাবেক সচিব, সাবেক রাষ্ট্রদূত, গণমাধ্যম সম্পাদক, নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা অনেকে অংশ নেন।







সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ