শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রতারণার আরেক নাম এমরান
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৩:১২ অপরাহ্ণ

মোঃ শাহজাহান ভুঁইয়া, বিশেষ প্রতিনিধিঃ  প্রতারণার কৌশল হিসেবে প্রথমে বন্ধুত্ব, এরপর নানা রকম ব্যবসায়ীক প্রলোভন দেখিয়ে ফাঁদ পাতাই হল এমরানের (৩৫) কাজ। এভাবে নানা মানুষের সাথে নানাভাবে প্রতারণা করে আসছিল এই ব্যক্তি। অভিযুক্ত এমরান হক গাজিপুরের সরকারবাড়ি গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে। সর্বশেষ প্রতারণার স্বীকার হলেন গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ওমর ফারুক।

গত ২০১৭ সালের জুন এবং জুলাই মাসে ২ বার বিভিন্ন ফাঁদ পেতে অর্থ হাতিয়ে নেয় অভিযুক্ত এমরান। ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য টাকাগুলো দিয়ে বিপাকে পরে ফারুক। প্রতারক বিশ্বসের জায়গাটাকে আরও শক্ত করার জন্য ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে একটি যৌথ চুক্তিও করে। এর পর আরও বিশ্বাস অর্জনের জন্য সমমূল্যের ২টি চেকও প্রদান করে। সরল বিশ্বাসে টাকা প্রদান করে ফারুক।

পরবর্তিতে অনেকদিন পর ব্যবসার খোঁজ খবর নিতে গেলে দেখা যায় অফিস সহ প্রতারক উধাও। পরবর্তিতে সমমূল্যের চেক দুটো ব্যাংকে কয়েকবার জমা দিয়েও টাকা তুলতে ব্যার্থ হয়। কারন হিসেবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ এ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা নাই বলে জানায়। পরবর্তিতে জুলাই ২০১৭ ইং তারিখে তেজঁগাও থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এ ব্যাপারে পুলিশ কোন সহযোগীতা করেনি বলেও দাবি করেন ওমর ফারুক।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে অনেক খোঁজ খবর নেয়ার পরেও না পেয়ে কোর্টের আশ্রয় নেন ব্যবসায়ী ফারুক। গত বছরে প্রতারক এমরান হকের বিরুদ্ধে একটি সি-আর মামলা করেন। মামলা নং সি-আর ১৯০/১৮। পরবর্তিতে তিনি আশায় বুক বেধে চেয়ে থাকেন পুলিশের দিকে। বার বার তাগাদা দিয়েও পুলিশের পক্ষ থেকে কোন সহযোগীতা পাননি বলে জানান।

প্রতারণার স্বীকার ব্যবসায়ী ওমর ফারুক দীর্ঘদিন বাহরাইন প্রবাসী ছিলেন। জমানো অর্থ নিয়ে দেশে ফিরে ব্যবসা করার স্বপ্ন দেখেছিলেন। প্রতারনার স্বীকার হয়ে এখন প্রায় নিঃশ্ব অবস্থায় আছেন। এ ব্যপারে তিনি যথাযথ কর্তৃপক্ষের সহযোগীতা চিয়েছেন।

এই ইমরান হক রানার বিরুদ্ধে আদালত কর্তৃক গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা এবং আদালতে মামলা চলমান মামলার সাক্ষী গ্রহণও হয়েছে এই এমরান হক রানা আদালত হতে একবার জামিন নিয়ে আবার গা ঢাকা দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকার পরও তাকে পুলিশ খুঁজে পাচ্ছে না বলে জানান যা বড়ই দুঃখজনক।







সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ