শনিবার ১৮ মে ২০২৪ ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে জাল দলিলের মাধ্যমে ভূমি আত্মসাতের চেষ্টা
প্রকাশ: শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১১:৩৩ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার উচ্চঙ্গা গ্রামে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে জাল দলিল দিয়ে নামজারি করে ভূমি আত্মসাৎ করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে উপজেলার সদর ইউনিয়নের উচ্চঙ্গা গ্রামের মৃত হরিচন্দ্র দাসের ছেলে সন্তোষ চন্দ্র দাস গং ও মৃত স্বপন চন্দ্র দাসের ছেলে সিপন চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে।অভিযোগ রয়েছে, অর্থের বিনিময়ে এসব ভুয়া ও জাল কাগজপত্র তৈরি করেছেন তারা।

এর প্রতিকার চেয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে গত ২৪ শে সেপ্টেম্বর প্রমাণসহ লিখিত অভিযোগ করেছেন, একই ইউনিয়নের উচ্চঙ্গা গ্রামের শফিকুল ইসলাম। এবং শফিকুল ইসলাম দাবি করেন বিগত সময়ে সন্তোষ চন্দ্র দাস ও সিপন চন্দ্র দাস ভুক্তভোগীদের প্রশাসনের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও জীবননাশের হুমকি দিয়ে আসছে, উক্ত অভিযোগের অনুলিপি উচ্চঙ্গা ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা বরাবরে জমা দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগে সূত্রে জানা যায়,  চাঁদপুর জেলার হাজিগঞ্জ উপজেলার উচ্চঙ্গা মৌজার সিএস খতিয়ান নং ২২০ দাগ নং ১০০ জমির পরিমাণ ৫২ শতাংশর মধ্যে হরি কুমার দে ২৬ শতাংশের মালিক। হরিকুমার ওয়ারিশ ৩ ছেলে রেখে পরকাল গমন করলে তিন পুত্র ১।চন্দ্র কুমার দে ২।নির্মল চন্দ্র দে ৩।বিধু ভূষণ দের নামে ১৯২ নং এস এ খতিয়ানে ১০০ দাগের মধ্যে ২৬ শতাংশ রেকর্ড হয়।
২০/০৩/১৯৭৩ চন্দ্র কুমার দে নির্মল চন্দ্র দে, বিধু ভূষণ দের নিকট থেকে জুম্মন ঢালি বিনিময় দলিল করে ১০০ দাগের ২৬ শতাংশ ভূমি মালিকানা ভোগ দখল করে থাকেন। যাহার দলিল বালাম নং ৫২০৬। ২৮/০৮/১৯৭৬ সালে জনৈক জুম্মন ঢালী থেকে মোঃ আশেক আলী ১০০ দাগের ২৬ শতাংশ ভিটি সাব কবলা দলিল মূলে খরিদ করে ভোগ দখল করতে থাকেন। যাহার বালাম দলিল নং ১০৯৬০। ভোগ দখল থাকা অবস্থায় মোহাম্মদ আশেক আলী ০৯/১০/১৯৮৬ সালে ২৬ শতাংশ অন্ধরে ১৯ শতাংশ ভূমি রফিক এবং শফিকুল ইসলাম গং দের নিকট সাব কবলা দলিল মূলে বিক্রি করেন। রফিক এবং শফিকুল ইসলাম গংরা ০৯/১০/১৯৮৬ ইং থেকে শান্তিপ্রিয় ভাবে অদ্যবধি ভোগ দখল করে আছেন।
উল্লেখ থাকে যে বিএস রেকর্ডটি ভুলবশত ১/১ খতিয়ানে লিপিবদ্ধ হয়। যাহার হালদাগ নং ২১৮। রফিক এবং শফিকুল ইসলাম গংরা সহজ সরল হওয়ায় হরি কুমার দাসের ছেলে সন্তোষ চন্দ্র গং এবং স্বপন চন্দ্র দাসের ছেলে শিফন চন্দ্র দাস ১৩/০২/২০১৭ একটি জাল নকল দলিল তৈরি করে ভূমি অফিস থেকে ২৬ শতাংশ ভুমি তাদের নামে বেআইনি ভাবে খারিজ করে নেয়। যাহার দলিল নং ৯৫১।
উক্ত দলিলটি ০২/০৪/১৯৭০ কসবা থানায় রেজিস্ট্রি দেখানো হয়। সন্তোষ গং রা এই ২৬ শতাংশ জমি দখল করতে আসলে শফিক গং রা জানতে পেরে হাজিগঞ্জ উপজেলা ভুমি সহকারী কর্মকর্তার বরাবর শফিকুল ইসলাম উক্ত খারিজের বিরুদ্ধে একটি মিস কেইস মামলা করেন। মামলাটি বিচারাদিন চলমান অবস্থায় আছে ।
উল্লেখ থাকে যে, ০২/০৪/১৯৭০ সালে যুদ্ধের সময় রেজিস্ট্রি রেকর্ড রুমটি বোমা মেরে পোড়ান হয় তাহলে ১৩/২/২০১৭ সালে কিভাবে সন্তোষ গংরা কুমিল্লার রেকর্ড রুম থেকে নকল সরবরাহ করেন। উক্ত ৯৫১ দলিলটি ২০১৭ সালে কুমিল্লার রেকর্ডরুমে বালামভুক্ত ছিল না এখনো নাই।







সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ