মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ ১১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আনন্দ-উৎসবে উদযাপন হচ্ছে ঈদুল ফিতর
প্রকাশ: শনিবার, ২২ এপ্রিল ২০২৩, ০২:১৫ অপরাহ্ণ

সারাদেশে আনন্দ ও উৎসবের মধ্য দিয়ে উদযাপন হচ্ছে মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করা হচ্ছে। ঘরে ঘরে আজ সাধ্যমত সুজি, সামাই, কোর্মা, পোলাও, পিঠা পুলিসহ নানা ধরনের সুস্বাদু রান্নার আয়োজন করা হয়েছে।

পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে এরই মধ্যে রাজধানী ঢাকা ছেড়ে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরেছেন প্রায় অর্ধকোটি লোক।

ঈদের দিন সকালে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে বিপুল সংখ্যক মুসল্লির অংশগ্রহণে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি রুহুল আমীন। বিকল্প ইমাম হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামেয়া আরাবিয়া মিরপুর, ঢাকার মাওলানা সৈয়দ ওয়াহিদুজ্জামান। সেখানে দেশের ২১তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শেষ ঈদের নামাজ আদায় করেন মো. আবদুল হামিদ।

এছাড়াও এদিন সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাতে প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্য, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, আইন প্রণেতা, সিনিয়র রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিদেশি কূটনীতিবৃন্দ এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাসহ দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন।

একই দিন সকালে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাতে বিপুল সংখ্যক মুসল্লি অংশ নেন।

প্রতিবছরের মতো এবারও দেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে। তিন ধাপের গুলির আওয়াজে সকাল ১০টায় ১৯৬তম ঈদের জামাত শুরু হয় শোলাকিয়ায়।

এদিকে আজ সারাদেশে ঈদের জামাত শেষে মোনাজাতে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায় দোয়া করা হয়। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে তাপপ্রবাহ থেকে স্বস্তি পেতে ঈদের জামাতে বিশেষ দোয়া করা হয়। এদিন সকাল ৭টায় বায়তুল মোকাররমে ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এরপর একে একে আরও চারটি জামাত হয়।

সার্বিক পরিস্থিতি সুশৃঙ্খল রাখতে জাতীয় ঈদগাহ ও বায়তুল মোকাররম এলাকাসহ সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা প্রয়োজনীয় সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু সদন, প্রবীণ নিবাস, ছোটমণি নিবাস, সামাজিক প্রতিবন্ধী কেন্দ্র, আশ্রয়কেন্দ্র, সেইফ হোমস, ভবঘুরে কল্যাণ কেন্দ্র, দুস্থ কল্যাণ ও মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

দুপুরের পর থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্রে মানুষের ঢল নামবে। এছাড়াও আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে বেড়াতে যাবেন অনেকে।

বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলো যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণীতে দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

 







সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ