মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ ১১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

অবরোধের শেষদিনে চট্টগ্রামে বেড়েছে গাড়ি, বন্দরে খালাস হচ্ছে পণ্য
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ০২ নভেম্বর ২০২৩, ০৬:০২ অপরাহ্ণ

বিএনপি-জামায়াতের ডাকা টানা তিনদিনের অবরোধ কর্মসূচির বৃহস্পতিবার শেষ দিনে চট্টগ্রাম মহানগরীতে নগরজীবন ছিল স্বাভাবিক। নগরীতে প্রত্যেক রুটে চলাচল করেছে বাস, মিনিবাস, লেগুনা। সিএনজি অটোরিকশাও চলেছে স্বাভাবিকভাবে। নগরীর বেশ কয়েকস্থানে নিত্যদিনের যানজটও দেখা গেছে। সপ্তাহের শেষ দিন হওয়ায় লোকজনের আনাগোনাও আগের দুই দিনের চেয়ে বেড়েছে।

মার্কেটেগুলোতে বেচাকেনা হচ্ছে। তবে সাধারণ দিনের চেয়ে ক্রেতার সংখ্যা কম। কর্ণফুলী নদীর সদরঘাটসহ জেটিগুলোতে পণ্য খালাস হয়েছে। বন্দরের বহির্নোঙরেও জাহাজ থেকে পণ্য খালাস চলমান রয়েছে। পণ্যবাহী ট্রাক কাভার্ডভ্যান গন্তব্যে ছেড়ে গেছে। তবে চট্টগ্রাম থেকে দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস ছাড়েনি।

সরেজমিন দেখা যায়, নগরীর রিয়াজ উদ্দিন বাজার, টেরিবাজারসহ অভিজাত মার্কেটগুলো খুলেছে। চট্টগ্রামের ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জ, চাক্তাই এবং পাহাড়তলীর আড়তগুলোতে স্বাভাবিক বেচাকেনা হয়েছে।

সরেজমিন বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে নগরীর কাজীর দেউড়ি, জামালখান রোড, আন্দরকিল্লা, টেরিবাজার মোড়, কোতোয়ালি মড়ি, নিউ মার্কেট, চকবাজার, বহদ্দারহাট মোড়ে নিত্যদিনের যানজট দেখা গেছে। এসময় কয়েকস্থানে দীর্ঘসময় যানজটের ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে যাত্রীদের। তবে সাধারণ সময়ের তুলনায় যাত্রী সংখ্যা কম বলছেন গাড়ির চালক হেলপাররা। অন্যদিকে অটোরিকশা এবং সাধারণ রিকশাতেও যাত্রী কম বলে দাবি যাত্রীদের।

কাজীর দেউড়ি এলাকায় রিকশা চালক আবুল খায়ের বলেন, সাধারণ সময়ে দুপুরের আগ পর্যন্ত দিনের অর্ধবেলায় ৫০০ টাকার মতো ভাড়া হতো। কিন্তু আজ দেড়শ টাকার মতো হয়েছে। অবরোধের কারণে প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া লোকজন কম বের হয়েছে। তাই যাত্রী কম। আবার স্কুল কলেজগুলো খোলা থাকলেও ছাত্র-ছাত্রীরা তেমন যায়নি। এতে রিকশাওয়ালাদের আয়ে প্রভাব পড়েছে বলে জানান তিনি।

টেরিবাজার মুখে টেম্পু চালক মামুন মিয়া বলেন, গত দুই দিনের চেয়ে আজ যাত্রী বেড়েছে। তবে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম। যাত্রীর জন্য দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।

খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ী হাবিবুল্লাহ বলেন, অবরোধ হলেও খাতুনগঞ্জে স্বাভাবিক নিয়মে ব্যবসা চলছে। বাজার বসেছে। পণ্য বেচাকেনা হয়েছে। বিক্রিত পণ্য গন্তব্যেও যাচ্ছে।

এদিকে অবরোধ চলাকালে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির অফিসে কোন নেতাকর্মীকে দেখা যায়নি। তবে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বিক্ষিপ্তভাবে কয়েকস্থানে মিছিল করেছে বলে দাবি বিএনপির।

এ বিষয়ে সিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) নোবেল চাকমা বলেন, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পুলিশ মোতায়েন আছে। পুলিশ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।







সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ