প্রবীণ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে কাঞ্চনের বিভেদ মেটাবো: এমায়েত হোসেন

0
498

আতাউর রহমান সানী ও জাহাঙ্গীর মাহমুদ : কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভা। গত কয়েকদিন ধরেই চলছে কাঞ্চন পৌর মেয়র ও কাঞ্চন পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসূল কলিরি রাজনৈতিক বিরোধ নিয়ে চলছে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা।

 

এ বিরোধ নিয়ে রূপগঞ্জ প্রতিদিনের সঙ্গে কথা হয় উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যকরী সদস্য এমায়েত হোসেনের। এসময় তিনি বলেন, গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতীক) মহোদয়ের নির্দেশনায় প্রবীণ আওয়ামীলীগের প্রবীণ নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কাঞ্চনের রাজনৈতিক বিরোধ দূর করতে চাই।

প্রতিবেদক : রাজনৈতিক হাতেখড়ি কার হাত ধরে ?

এমায়েত : আমার বাবা মরহুম জহির উদ্দিন তৎকালীন কাঞ্চন ইউনিয়নের (বর্তমান পৌরসভা) আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। ছোটবেলা থেকেই বাবাকে রাজনীতির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করতে দেখেছি। এছাড়া তিনি তৎকালীন পাকিস্থান আমলের মেম্বার ছিলেন। সেই থেকেই রাজনীতির প্রতি আমার ঝোক তৈরী হয়।

প্রতিবেদক : কবে থেকে রাজনীতি শুরু করলেন ?
এমায়েত : ১৯৭৮ সালে মুড়াপাড়া কলেজে পড়াকালীন সময় ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রবেশ করেছি। তারপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি। সৎনিষ্ঠার সঙ্গে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করে যাওয়া আমাকে আর পেছনে ফিরে তাকে হয়নি।

প্রতিবেদক : আপনার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নিয়ে কিছু বলুন ?
এমায়েত : আমি ১৯৯০ সালে কাঞ্চন যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলাম। পরে একই বছর ২৮ বছর বয়সে উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যকরী সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলাম। এর পর থেকেই আমি আওয়ামীলীগের সঙ্গে ওতোপ্রতভাবে জড়িত রয়েছি। আমার বাবা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি করে গেছেন। আমিও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি করছি। স্থানীয় সংসদ সদস্য পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতীক) ও গোলাম মর্তুজা পাপ্পার নির্দেশে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।

প্রতিবেদক : কাঞ্চন রাজনৈতিক বিরোধের অবসানের জন্য আপনি কি করতে চান ?
এমায়েত : রাজনৈতিক বিরোধ কমাতে আমি এরই মধ্যে প্রবীণ নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছি। আমি সংসদ সদস্য পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতীক) ও গোলাম মর্তুজা পাপ্পার নির্দেশে কাঞ্চনের বিভেদ কমানোর চেষ্টা করছি।

প্রতিবেদক : এ রাজনৈতিক বিভেদ নিয়ে আপনি কি বলতে চান ?

এমায়েত : রাজনৈতিক বিভেদের অবসান হওয়া প্রয়োজন। এতে সাধারণ মানুষের জন্য অনেকটা উপকারে আসবে। আমি সব-সময় সত্যের পক্ষে থেকে কাজ করে গেছি আর ভবিষ্যতে করবো।

প্রতিবেদক : করোনাকালীন সাধারণ মানুষের জন্য কি করেছেন ?
এমায়েত : করোনাকালীন সময় পৌরসভার প্রায় ১০ হাজার মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করেছি। লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে করোনা প্রতিরোধে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে এখনো বিভিন্ন ধরনের লিফলেট বিতরণ করে যাচ্ছি।

প্রতিবেদক : আপনাকে ধন্যবাদ।

এমায়েত : আমার পক্ষ থেকে রূপগঞ্জ প্রতিদিনকেও ধন্যবাদ।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here