কায়েতপাড়ায় তরুণ শিল্পপতি মিজানকে চেয়ারম্যান হিসেবে চায় সর্বস্তরের মানুষ

0
253

আতাউর রহমান সানী : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের আগামী নির্বাচনে দেশের অন্যতম শিল্পগোষ্ঠি রংধনু গ্রুপের পরিচালক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য মিজানুর রহমানকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় কায়েতপাড়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ।

বিগত সময়ে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড ও মহামারী করোনায় কায়েতপাড়া ইউনিয়নবাসীর পাশে তার সরব উপস্থিতির কারনে প্রার্থী হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন তরুণ এই শিল্পপতি। নির্বাচনী মাঠে নতুন মুখ হলেও তিনি কায়েতপাড়াবাসীর অতি পরিচিত একজন মানুষ। এলাকার যে কোন মানুষ সমস্যায় পড়লে ছুটে যান তিনি। ইউনিয়নের সকল বয়সী ও শ্রেণি পেশার মানুষের আপনজন মিজানুর রহমান এবারের নির্বাচনে কায়েতপাড়ায় শক্তিশালী প্রার্থী।

স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীরাও মনে করেন নৌকা প্রতিকের জন্য যোগ্য মাঝি।

এলাকার বিভিন্ন বয়সের মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, দক্ষ সংগঠক ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারনে তারা এবার মিজানুর রহমানকে ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করতে চায়। কায়েতপাড়া ইউনিয়নের দৃশ্যমান উন্নয়নে তার বড় ভাই বিশিষ্ট শিল্পপতি, রংধনু গ্রুপ ও বর্তমান কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রফিকুল ইসলামের অবদানের কারনে প্রার্থী হিসেবে মিজানুর রহমান অনেকটা এগিয়ে রয়েছেন। ইতিমধ্যে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, যুবসমাজ, ছাত্র সমাজসহ সাধারণ জনগণ এবার মিজানুর রহমানের পক্ষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ করতে মাঠে নেমেছেন।

মিজানুর রহমান মানুষের বিপদে ঘরে বসে থাকতে পারেন না, ছুটে যান বিপদগ্রস্থ মানুষের পাশে। বিয়েসাদী,কর্মহীন মানুষকে কাজ দেয়া, যুব সমাজকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত, মাদকমুক্ত ও ক্রীড়ামোদী করে গড়ে তোলা, এলাকার উন্নয়নে অংশগ্রহণ করা তার নিত্যদিনের কাজ। নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য থাকার সুবাধে কায়েতপাড়ায় রাস্তাঘাট, ব্রীজ-কালভার্ট নির্মান করেছে অজস্র। এছাড়া মহামারী করোনায় জনগনের পাশে থেকে তাদের সাধ্য অনুসারে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে মিজানুর রহমান হয়ে উঠেছেন কায়েতপাড়ার মানুষের অত্যন্ত আপনজন।

কায়েতপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল আউয়াল বলেন, কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে আগামী নির্বাচনে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী তরুণ সমাজসেবক মিজানুর রহমানকে এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী করতে আমরা কায়েতপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নেমেছি। তার বড় ভাই বর্তমান চেয়ারম্যান আলহাজ¦ রফিকুল ইসলাম বিগত সময় দায়িত্ব পালনকালে আওয়ামীলীগসহ অঙ্গসংগঠনের কোন নেতাকর্মী যে কোন কাজে এসে বিমূখ হননি। তাছাড়া বিভিন্ন সহযোগীতার মাধ্যেমে আমাদের কায়েতপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগকে সুসংগঠিত রেখেছেন তিনি। এবারের নির্বাচনে তিনি প্রার্থী না হওয়াতে তার ছোটভাই মিজানুর রহমানকে নৌকার মাঝি করতে মাঠে নেমেছি আমরা।

আমাদের আশা জননেত্রী আমাদের তৃনমূলের দাবিকে অগ্রাহ্য করবেন না।

ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সামসুল আলম বলেন, মিজানুর রহমান বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহনের মাধ্যেমে ইতিমধ্যে সকলের প্রিয়পাত্র হয়ে উঠেছেন। জাগতিক সকল লোভ লালসার উর্ধ্বে পরিক্ষিত আলহাজ¦ রফিকুল ইসলামের পরিবার থেকে আমরা মিজানুর রহমানকে প্রার্থী হিসেবে বেছে নিয়েছি। বৃহৎ পরিসরে সমাজের সার্বিক উন্নয়ন করতে কায়েতপাড়ায় আলহাজ¦ রফিকুল ইসলামের পরিবারের বিকল্প নেই।

নির্বাচনে অংশগ্রহন প্রসঙ্গে মিজানুর রহমান বলেন, আমি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক। দেশরতœ শেখ হাসিনার প্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রার্থী হতে পারলে আমি নির্বাচনে অংশগ্রহন করবো। আমি চেয়ারম্যান হিসেবে বিজয়ী হতে পারলে আমার বড়ভাই আলহাজ¦ রফিকুল ইসলামের মতোই আমার লক্ষ্য থাকবে সন্ত্রাস, দূর্নীতি মাদক মুক্ত ইউনিয়ন গড়ে তুলতে। সকল কর্মকান্ডে জনগনের অংশগ্রহন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাসহ আধুনিক ইউনিয়ন গঠন করতে চাই আমি। সেই সাথে আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি সম্পন্ন ডিজিটাল ইউনিয়ন গঠন করাই হবে আমার অন্যতম লক্ষ্য।

আমার প্রত্যাশা জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গঠনের লক্ষ্যে আমাকে নৌকা প্রতিক দিয়ে আগামী নির্বাচনে কায়েতপাড়া ইউনিয়নের উন্নয়নে সুযোগ তৈরী করে দিবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here